নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারপবিত্র সুন্নত মুবারক অনুকরণে কিছু সুন্নতি সামগ্রীর ছবি ও সংক্ষিপ্ত বর্ননা
উসওয়াতুন হাসানাহ | ১২ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৩৫ হি:

মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আ’লামীন পবিত্র কালাম পাক-এ ইরশাদ ফরমান,

لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِّمَن كَانَ يَرْجُو اللَّهَ وَالْيَوْمَ الْآخِرَ وَذَكَرَ اللَّهَ كَثِيرًا
“নিশ্চয়ই রসূল (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনার মধ্যে তোমাদের জন্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ, যারা মহান আল্লাহ পাক ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং মহান আল্লাহ পাক উনাকে অধিক স্মরণ করে, ।” [পবিত্র সূরা আহযাব : ২১]

অন্যত্র মহান আল্লাহ পাক বলেন,

وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانتَهُوا وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ
“(আমার) রসূল (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদের জন্যে যা এনেছেন, তা আঁকড়ে ধর। আর যা থেকে নিষেধ করেছেন, তা থেকে বিরত থাক।” [পবিত্র সূরা হাশর : ৭]

মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত এবং ক্ষমা লাভের জন্যে বান্দার কি করণীয়, সে প্রসঙ্গে ইরশাদ মুবারক করেন,

قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
“হে আমার হাবীব (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত (সন্তুষ্টি) অর্জন করতে চাও, তবে আমাকে (রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার) অনুসরণ কর, তবেই মহান আল্লাহ পাক তোমাদেরকে মুহব্বত করবেন এবং তোমাদের গুনাহ সমূহকে ক্ষমা করবেন। মহান আল্লাহ পাক ক্ষমাশীল এবং দয়ালু।” [পবিত্র সূরা আল্ ইমরান : ৩১]

মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ বলতে উনার পবিত্র উস্ওয়াতুন হাসানাহ্ অর্থাৎ উনার সামগ্রিক জীবন মুবারকের আদর্শ তথা সুন্নতের পরিপূর্ণ অনুসরণকে বুঝায়।

অতএব, যে ব্যক্তি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দেখানো আদর্শ তথা সুন্নত অনুযায়ী স্বীয় জীবনকে পরিচালিত করবে এবং মহব্বত করবে, সে জান্নাত লাভ করবে। এ প্রসঙ্গে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,

“যে ব্যক্তি আমার সুন্নতকে মহব্বত করলো, সে মূলতঃ আমাকেই মহব্বত করলো। আর যে আমাকে মহব্বত করবে, সে আমার সাথে জান্নাতে থাকবে।” [তিরমিযী শরীফ]

সুন্নতের ফযীলত সম্পর্কে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো ইরশাদ মুবারক করেন,

“যে ব্যক্তি আমার উম্মতের ফিৎনার সময় (যুগে) আমার একটি সুন্নতকে পালন (আমল) করবে, তাকে একশত শহীদের (সম পরিমাণ) সওয়াব দান করা হবে।” [মিশকাত শরীফ]

এখানে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্‌সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক সুন্নতি সামগ্রীর অনুকরণে কিছু সুন্নতি সামগ্রীর ছবি সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ দেয়া হলো।

  • ইমামা বা পাগড়ী
  • পাগড়ীর উপর ব্যবহৃত রুমাল
  • টুপি
  • কোর্তা
  • জুব্বা
  • ইজার বা লুঙ্গি
  • চাদর
  • চিরুনী
  • মিছওয়াক
  • মেশক মিশ্রিত ছমিদ সুরমা
  • পান পাত্র, পেয়ালা, নিমকদানী ও দস্তরখান
  • চকি, বিছানা ও বালিশ
  • মিম্বর শরীফ ও লাঠি
  • না’লাইন বা স্যান্ডেল
  • চামড়ার মোজা

 

সূত্র : মাসিক আল বাইয়্যিনাত

বিষয় : সুন্নতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতি সামগ্রী, পাগড়ী, রুমাল, কোর্তা, লুঙ্গি, প্লেট, পেয়ালা, দস্তরখান, চোকি, বিছানা, বালিশ, চাটাই
এই বিভাগ থেকে আরও পড়ুন
« পূর্ববর্তী| সব গুলি| পরবর্তী »