হযরত আহলি বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত করার ফযীলত
উসওয়াতুন হাসানাহ | ৩ শা’বান, ১৪৩৫ হি:

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ:

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মর্যাদা সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি জানিয়ে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাচ্ছি না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়; তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। তবে তোমরা যদি ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী হাছিল করতে চাও; তাহলে তোমাদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, উনাদের খিদমত মুবারক উনার আনজাম দেয়া।”

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদের জন্য দুটি নিয়ামত রেখে যাচ্ছি। প্রথমটি হলো, মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাব মুবারক। যার মধ্যে রয়েছে হিদায়েত ও নূর মুবারক। তোমরা কিতাবুল্লাহ শরীফ উনাকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়িয়ে ধরো। তিনি কিতাবুল্লাহ শরীফ উনার প্রতি উৎসাহ প্রদান করলেন। অতঃপর বললেন, “দ্বিতীয়টি হলো, আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম (আওলাদগণ) বংশধরগণ উনারা। উনাদের ব্যাপারে তোমাদের সতর্ক করছি। উনাদের ব্যাপারে তোমাদের সতর্ক করছি।”

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বতকারীগণ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে একত্রিত হবেন:

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে,

ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اخذ بيد (حضرت) حسن عليه السلام و (حضرت) حسين عليه السلام فقال من احبنى واحب هذ ين واباهما وامهما كان معى فى درجة يوم القيا مة.

অর্থ: “একদিন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম এবং হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনাদের হাত মুবারক ধরলেন এবং ইরশাদ মুবারক করলেন, “যে ব্যক্তি আমাকে মুহব্বত করবে, এ দু’জনকে মুহব্বত করবে এবং উনাদের সম্মানিত আব্বাজান ও সম্মানিত আম্মাজান উনাদেরকে মুহব্বত করবে সে ব্যক্তি ক্বিয়ামতের দিন আমার সাথে একই স্থানে অবস্থান করবে।” (মুসনদে আহমদ- ২/২৬, শহীদ ইবনে শহীদ- ৪১)

বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আবু সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, একদিন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার কাছে তাশরীফ আনলেন। অতঃপর ইরশাদ মুবারক করলেন-

انى واياك وهذا النائم يعنى (حضرت) عليا عليه السلام وهما يعنى (حضرت) امام الحسن عليه السلام و(حضرت) امام الحسين عليه السلام لفى مكان واحد يوم القيا مة.

অর্থ: “আমি ও আপনি এবং এই ব্যক্তি যিনি মুবারক ঘুমে নিমগ্ন তথা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম আর উনারা তথা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম, হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনারা ক্বিয়ামতের দিন একই সাথে থাকবো। (মুস্তাদরাকে হাকীম- ৩/১৬৫)

ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, আসাদুল্লাহিল গালিব, সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজাহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন,

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اربعة انا لهم شفيع يوم القيامة المكرم الذريتى والقاضى لهم حوائجهم والساعى فى امورهم عند اضطرارهم اليه والمحبة لهم بقلبه ولسانه-

অর্থ: নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ক্বিয়ামতের দিন আমি নিজেই চার শ্রেণীর লোককে খাছভাবে সুপারিশ করবো। ১. যে ব্যক্তি আমার বংশধর তথা হযরত আহলে বাইত শরীফ এবং আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সম্মান করবে। ২. যে ব্যক্তি আহলে বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে অর্থ-সম্পদ দ্বারা খিদমত করবে। ৩. যে ব্যক্তি হযরত আহলে বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের কাজে-কর্মে উনাদেরকে সহযোগিতা বা খিদমত করবে। ৪. যে ব্যক্তি হযরত আহলে বাইত শরীফ ও হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মনেপ্রাণে গভীরভাবে মুহব্বত করবে।” (বিহারুল আনওয়ার-৮/৪৯, যখায়িরুল উক্ববা-১৮)

 

হযরত আহলে বাইত ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে নিসবত-তায়াল্লুক স্থাপনকারীগণ কখনো গুমরাহ বা পথভ্রষ্ট হবেন না:

বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন। পবিত্র বিদায় হজ্জের দিন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার কাসওয়া নামক উঠের উপর আরোহী অবস্থায় মুবারক খুতবাহ দিচ্ছিলেন। সেই সময় তিনি বললেন,

يا ايها الناس انى تركت فيكم ما ان اخذتم به لن تضلوا كتاب الله وعترتى اهل بيتى

অর্থ: “হে মানুষ সকল! আমি তোমাদের নিকট দুটি নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি, যদি তা তোমরা দৃঢ়তার সাথে আঁকড়িয়ে ধরো, তাহলে কখনোই গুমরাহ বা পথভ্রষ্ট হবে না। একটি নিয়ামত হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাব মুবারক। আর অপর নিয়ামত হচ্ছে- আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম তথা বংশধরগণ।” (তিরমিযী শরীফ, ২/৭৩৫, মিশকাত শরীফ/৫৬৯)

কাজেই যারা হযরত আহলে বাইত শরীফ এবং হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে তায়াল্লুক, নিসবত, মুহব্বত রাখবে না, ইতায়াত (অনুসরণ-অনুকরণ) করবে না, তারা কখনোই হিদায়েতের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকতে পারবে না। বরং তারা যা কিছু করুক না কেন, বলুক না কেন তারা পথভ্রষ্ট, গুমরাহ বাহাত্তর দলের অন্তর্ভুক্ত।

হযরত আবু যর গিফারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি পবিত্র কা’বা শরীফ উনার দরজা মুবারক ধরে বললেন, “আমি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইরশাদ মুবারক করতে শুনেছি-

الا ان مثل اهل بيتى فيكم مثل سفينة (حضرت) نوح عليه السلام من ركبها نجا ومن تخلف عنها هلك.

অর্থ: “বিশ্ববাসী তোমরা সাবধান হও! আমার সম্মানিত হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালামগণ তোমাদের জন্য হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার কিশতী বা নৌকার ন্যায়। যারা সেই কিশতির উপর আরোহণ করেছে তারা নাজাত (মুক্তি) পেয়েছে। আর যারা কিশতীর উপর আরোহণ করেনি তারা হালাক বা ধ্বংস হয়েছে।” (মিশকাত শরীফ-৫৭৩, খাসায়িসুল কুবরা-৪৬৬)

 

হযরত আহলে বাইত ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সবকিছুর চেয়ে সর্বাধিক মুহব্বত না করলে ঈমানদার হওয়া যায় না:

হযরত আব্দুর রহমান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার পিতা হযরত আবু লাইলা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

لا يؤمن عبد حتى اكون احب اليه من نفسه ويكون عترتى احب اليه من عترته ويكون اهلى احب اليه من اهله ويكون ذاتى احب اليه من ذاته.

অর্থ: “কোনো বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত মু’মিন হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত সে তার নিজের জান থেকে আমাকে বেশি মুহব্বত করতে না পারবে। আমার সম্মানিত আওলাদ তথা বংশধরগণকে তার বংশধর থেকে বেশি মুহব্বত না করবে। আর আমার সম্মানিত আত্মীয়-স্বজন উনাদেরকে তার আত্মীয়-স্বজন থেকে বেশি মুহব্বত না করবে। আমার সম্মানিত জাত মুবারকে তার জাত থেকে বেশি মুহব্বত না করবে।” (আশশরফুল মুয়াব্বিদ- ৮৫, মু’জামুল আওসাত লিত তাবারান)

হযরত আবু যর গিফারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

اجعلوا اهل بيتى منكم مكان الرأس من الجسد ومكان العينين من الرأس ولايهتدي الرأس الا بالعينين.

অর্থ: “তোমরা আমার আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সেরূপ গুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানিত মনে করবে যেমন তোমাদের শরীরের মধ্যে মাথাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করো। আর মাথার মধ্যে দুটি চোখকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরী মনে করো তেমনি আমার আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরী মনে করবে। কেননা দুটি চোখ ব্যতীত মাথা সঠিকভাবে পরিচালিত হতে পারে না।” (মুসতাদরাকে হাকিম, আশশরফুল মুয়াব্বিদ-২৮)

অর্থাৎ মাথা ব্যতীত যেমন চেনা যায় না, তেমনি আহলে বাইত ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত, তায়াল্লুক, নিসবত মুবারক ব্যতীত মু’মিন-মুসলমানরূপে সনাক্ত করা যায় না। একইভাবে অন্ধ ব্যক্তির যেমন বিপদ ও হালাকী বা ক্ষতিগ্রস্ততা অবশ্যম্ভাবী তেমনি হযরত আহলে বাইত ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত, তায়াল্লুক, নিসবতহীন ব্যক্তির হালাকী বা ক্ষতিগ্রস্ততা অবশ্যম্ভাবী।

 

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত, তায়াল্লুক, নিসবত মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক লাভের সোপান:

 ‘যখায়িরুল উক্ববা’ নামক কিতাবের ১৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

انا واهل بيتى شجرة فى الجنة واغصانها فى الدنيا فمن تمسك بنا اتخذ الى ربه سبيلا.

অর্থ: “আমি এবং আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা সম্মানিত জান্নাত উনার মধ্যে অবস্থিত একটি গাছ মুবারক। আর ওই গাছের শাখা-প্রশাখা দুনিয়াতে রয়েছে। যারা আমাদের সাথে তায়াল্লুক-নিসবত, (সম্পর্ক) মুহব্বত রাখলো তারা তাদের মহান রব আল্লাহ পাক উনার নিকট পৌঁছার পথ সুগম করলো।” সুবহানাল্লাহ!

‘তাযকিরাতুল হুফফাজ’ নামক কিতাবে বর্ণিত আছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

من صنع الى احد من اهل بيتى يدا كافاته عنه يوم القيامة.

অর্থ: “যে ব্যক্তি আমার সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের কারো খিদমত মুবারকে আঞ্জাম দিবে আমি নিজে উনার পক্ষ থেকে উহার প্রতিদান দিবো।” সুবহানাল্লাহ! (যখায়িরুল উক্ববা-১৯)

 

হযরত আহলে বাইত শরীফ ও হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বতকারীদের জন্য সুসংবাদ :

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

من مات على حب ال (سيدنا حضرت) محمد صلى الله عليه وسلم مات شهيدا الا ومن مات على حب ال (سيدنا حضرت) محمد صلى الله عليه و سلم مات مغفورا له.

অর্থ: “যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আল তথা বংশধরগণ উনাদের মুহব্বত মুবারকে মৃত্যুবরণ করবে, সে শহীদের মৃত্যু পাবে।” অর্থাৎ সে শহীদী মর্যাদা পাবে। সুবহানাল্লাহ!

তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা সাবধান হও! যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বংশধরগণ উনাদের মুহব্বত মুবারকে মারা যাবে, সে ব্যক্তির সমস্ত গুনাহখতা মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমা করে দিবেন।” সুবহানাল্লাহ!

তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,

الا ومن مات على حب ال (سيدنا حضرت) محمد صلى الله عليه وسلم مات مؤمنا مستكمل الايمان.

অর্থ: “তোমরা সাবধান হও! যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বংশধরগণ উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তিকাল করবে, সে ব্যক্তি পরিপূর্ণ ঈমানদাররূপে ইন্তিকাল করবে।” সুবহানাল্লাহ!

তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-

الا من مات على حب ال (سيدنا حضرت) محمد صلى الله عليه وسلم مات تائبا

অর্থ: “যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বংশধরগণ উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তিকাল করবে, সে ব্যক্তি তওবাকারীরূপে ইন্তিকাল করবে।” (তাফসীরে কবীর- ৭/৩৯০, তাফসীরে কাশশাফ, তাফসীরে রুহুল বয়ান- ৩/৫৩৪, নুজহাতুল মাজালিস-২/২২২)

বিষয় : উনাদের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহের প্রতি মুহব্বত ও আদব, আহলে বাইত, মুহব্বত, ভালবাসা, ফযীলত, গুরুত্ব, সম্মান, মর্যাদা, নবী, পরিবার, ঈমান
এই বিভাগ থেকে আরও পড়ুন
« পূর্ববর্তী| সব গুলি| পরবর্তী »